প্রতিবছর গ্রীষ্ম কালীন সময়ে গোটা রাজ্য জুড়ে রক্তের অভাব দেখা দেয়। সেই মতে উত্তর দিনাজপুর জেলা রায়গঞ্জ জেলা ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের অভাব দেখা দেয়। রাজ্যে রক্তের ঘাটতি পূরন করতে এবং সাধারন মানুষের পাশে দারাতে সারা রাজ্য জুড়ে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে প্রতিটি সরকারি কার্যালয়ে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে। সেই মতে শনিবার সকালে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। কারন এক ফোটা রক্ত একটি মমূর্ষ রোগীর প্রান বাচাতে পারে।রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরনায় জেলা ও রাজ্যের রক্তের সংকট মেটাতে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এদিনের রক্তদান শিবিরে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার মহিলা ও পুরুষ কাউন্সিলারের রক্তদান করে। এরপর একে একে অন্যান্য পৌর কর্মচারী সহ পৌর বাসিরা অতি উৎসাহতার মধ্য দিয়ে রক্তদান শিবিরে যোগদান করে। বিশেষ করে মহিলাদের উৎসাহতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌরপতি কার্তিক পাল, উপ-পৌরপতি বসন্ত রায়, পৌর কার্যনির্বাহিক আধিকারিক জনার্দ্ধন বর্মন, কালিয়াগঞ্জের বিডিও মহম্মদ জাকারিয়া, কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার দেবাশিষ বালা, ব্লাড ডোনার্স ফোরামের জেলা সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজ সেবী অসীম ঘোষ ও জয়ন্ত সাহা আরো অনেকে।
কালিয়াগঞ্জের পৌরপতি কার্তিক পাল বলেন রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো সাধারন মানুষের পাশে দারাতে এবং রক্তের অভাব মেটাতে এই রক্ত দান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এদিনের শিবিরে মোট ৩০০ জনের মতো রক্তদাতা রক্তদানে অংশ গ্রহণ করবে বলে তিনি জানান।
অপরদিকে ব্লাড ডোনার্স ফোরামের জেলা সম্পাদক জানান রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো উত্তর দিনাজপুর জেলা জুড়ে রক্তের অভাব মেটানোর জন্য রক্তদান শিবির হচ্ছে। সেখানে দারিয়ে বলা যেতেই পারে জেলা শুধু সরকারি নির্দেশ মতো না শুরু থেকেই কালিয়াগঞ্জের বিভিন্ন সময়ে যেভাবে রক্তদান শিবির করা হয় সেখানে দারিয়ে কালিয়াগঞ্জে রক্তদাতার সংখ্যা বেশি। যেখানেই শিবির হয় সেখানেই সাধারন লোক রক্তদান করতে এগিয়ে আসে।জেলার বাকি ব্লক গুলি যদি এই ভাবে এগিয়ে আসে তাহলে রক্তের সমস্যা দেখা যাবে না।